Business

ঔষধের পাইকারী ব্যবসা করার পদ্ধতি (ঔষধের Bussiness করার নিয়ম)

ঔষধের পাইকারী ব্যবসা করার পদ্ধতি (Drug Business করার নিয়ম)

ঔষধের পাইকারী ব্যবসা করার পদ্ধতি (ঔষধের Bussiness করার নিয়ম)
ঔষধের পাইকারী ব্যবসা করার পদ্ধতি (ঔষধের Bussiness করার নিয়ম)

 

ঔষধের পাইকারী ব্যবসা করার পদ্ধতি (ঔষধের Bussiness করার নিয়ম).ঔষধ এর  পাইকারী ব্যবসা করবার  ইচ্ছা কিন্তু  কম বেশি সকলেরই রয়েছে । সত্যি কথা বলতে কিন্তু আসলে    পাইকারি ব্যবসা এর   পুঁজি যে রকম এর  বেশি লাগে তেমনি কিন্তু , ব্যবসার  লাভটা  ও বেশি সব পরিবার এর এই  প্রায় প্রত্যেক দিনই কিছু না কিছু পরিমানেই ঔষধ এর দরকার  পড়ে।

 বর্তমানের এই  সময়তে  জনপ্রিয় যত রকমের  ব্যবসা রয়েছে ; ঔষধ এর  ব্যবসা তাদের ভিতরে কিন্তু  অন্যতম লাভজনক ১ টা ব্যবসা।আপনারা অনেকেই   খেয়াল করে দেখে থাকবেন যে , আপনাদের  এলাকাতে  গত বছর আগে যে কয়টা ছিল  ফার্মেসী এর দোকান ছিলও। বর্তমানে এখন কিন্তু  তার সংখ্যাটা ও  তিন গুন হারেই   বেড়ে গিয়েছে ।

তার সঙ্গে কিন্তু ফার্মেসী এর  দোকানদার যারা আছেন তারা  যে পাইকারি দোকান হতে  ঔষধ কিনেই যে   আনতেছে , তার সংখ্যাটাই কিন্তু  আগ এর    মতোন রয়েছে ; বাড়তেছে না। আপনারা  চাইলেই কিন্তু  পাইকারি এই ব্যবসাটা  শুরু করে দিতে পারেন । আপনারা  যদি বেকার হয়ে বসে থাকেন তা হলে  আপনারা  যদি কর্মসংস্থান   খুঁজেই থাকেন   তা হলে কিন্তু , আজকের এই আইডিয়াটা  আপনাদেরকে অনেক উপকারেই  আসবে বলেই  আশা করতেছি । 

ঔষধের পাইকারী ব্যবসা

·     কি করে ঔষধ নির্বাচনকরবেন(Drug Business) ?

 

আপনারা যদি পাইকারি ঔষধ এর  ব্যবসা করতেই  চান তাহলে,  কিন্তু আপনাদেরকে সবার আগে  আপনাদেরকে যে কোনো ১ টা ফার্মেসীম্যান এর কিংবা  ঔষধ বিক্রেতাদের কাছে যাওয়া লাগবে । তার পরে কিন্তু  আপনারা  তার কাছে হতেই  এমন কিছু ঔষধ এর  তালিকা সংগ্রহ করে নিবেন   যেই গুলো, প্রায় সারা বছরেই প্রচুর  চাহিদা রয়েছে । সব সময়ই যে ঔষধ গুলোকে  মানুষ কিনে থাকে। যেমন মনে করুন যে : ন্যাপা, ন্যাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল, নানা  রকম এর  গ্যাসট্রিক, জ্বর এর ট্যাবলেট এই সকল যে সমস্ত  ঔষধ আছে সেই গুলোকে রাখতে পারেন  আপনারা ।

·       ঔষধের দোকান এর  লাইসেন্স :  

Drug Business  শুরু করবার  জন্য  কিন্তু আপনাদের   প্রকার  এর কাগজ এর  দরকার পরবে

·         ট্রেডলাইসেন্স।

·         ড্রাগলাইসেন্স।

·         ফার্মাসিস্ট কোর্স কমপ্লিট করা সার্টিফিকেট।

 

এই ক্ষেত্রে কিন্তু  আপনাদের যদি ফার্মাসিস্ট কোর্স কমপ্লিট করা  থাকে তা হলে  তো অনেক ভালো কিন্তু আপনাদের   যদি সার্টিফিকেট না থেকে  থাকে তাহলে, আপনারা কিন্তু  পাইকারি দোকানের  এমন ১ জন কর্মচারী রাখা  লাগবে  যার  কিনা ফার্মেসী কোর্স কমপ্লিট করা রয়েছে আর তার সাথে সাথে যার  সার্টিফিকেট রয়েছে ।

·         কোথা হতে  ঔষধ কিনবেন

আপনাদেরকে পাইকারি দামেই   কিন্তু ঔষধ কিনতে চান তা  হলে কিন্তু আপনাদেরকে , মিটফোর্ড বাবু বাজার এ যাওয়া লাগবে । এটা কিন্তু  বাংলাদেশ এর  অন্যতম ১ টা  বড় পাইকারই ঔষধ এর  বাজার। এটি  স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এর সঙ্গেই কিন্তু অবস্থিত। এই  খানে  হতে কিন্তু  যে কোনো কোম্পানি এর  যে কোনো  রকম এর  ঔষধ পাইকারী দামে ক্রয় করে নিতে পারবেন ।

আর তা ছাড়া, আপনারা কিন্তু  সরাসরিবিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি এর  নিকটথেকে ও ঔষধ কিনে নিতে  পারবেন।বাংলাদেশ এর  বড়আর তার সঙ্গে সঙ্গে  বিখ্যাতকিছু  কিছু ঔষধ কোম্পানি আছে ।

·         ঔষধ কোম্পানি গুলোর  নামের লিস্ট

·         স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড

·         একমি ল্যাবরেটরিজ

  • এসিআই ফার্মাসিউটিকাল লিমিটেড
  • ল্যাবএইড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  • বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস
  • ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  • ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  • এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
  • ওরিয়ন ফার্মাসিউটিকাল লিমিটেড
  • রেনাটা ফার্মাসিউটিকাল লিমিটেড
  • জিসকা ফার্মাসিউটিকাল লিমিটেড
  • অ্যারিস্টো ফার্মা লিমিটেড

 

·      কেন আপনারা  ঔষধ কিনবেন?

 

আপনাদের  মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, যে হেতু প্রত্যেকটা  কোম্পানিই তাদের নিজস্ব  রিপ্রজেন্টটিটিভ কিংবা  প্রতিনিধি রত মাধ্যমেই কিন্তু প্রত্যেকটা  ফার্মেসী এর  দোকান এ  ঔষধ এর  সাপ্লাই করেই  থাকে তা হলে  কিন্তু আমার ঔষধ কি ফার্মেসী থেকে নিব ?

 

·         আসলে অনেক কোম্পানি রয়েছে  যাদের দোকান  ঔষধ সাপ্লাই দেবার মতোন  প্রতিনিধি নাই আপনি সেই কোম্পানি গুলো এর  ঔষধ আনা লাগে 

·         আর তা ছাড়া ,  কিন্তু ফার্মেসীতে এমন অনেক আইটেমথেকে  থাকে  যেই গুলো বিক্রয় করবার  মতোন কোন প্রতিনিধিই থাকেই না। বাবুবাজার হতেকিন্তু অনেক  লোকের মাধ্যমেই  ফার্মেসীতে পৌছায়   

·         সকল  কোম্পানিএর  কিছু কিছু ঔষধ রয়েছে যেই গুলো আন্ডাররেটে বিক্রয় করাহয়ে  থাকে এইখানে আন্ডাররেট এর মানেহল , সাধারণত মার্কেট এর  ফার্মেসীতে যেই  দামে বিক্রি হয়েথাকে  বাবু বাজারে তার হতেকিন্তু আসলে  অনেক কম দামে বিক্রয় করা হয়েথাকে

  • তো আপনারা  চাইলেই কিন্তু বাবু বাজার হতে  ঔষধ কিনেই  এলাকা এর  ফার্মেসী গুলোতে সাপ্লাই দিতেই  পারেন। এতে করেই কিন্তু আপনারা  ঔষধ বিক্রি করেই কিন্তু  % কিংবা  % এমনকি ১০লাভ করতেই  পারবেন।

 

এই খানে আপনাদের  জন্যে ২ ধরনের  সুযোগ আছে। আপনারা  চাইলেই কিন্তু  যে কোনো ১ টি অথবা ২ টি সুযোগকেই  কাজে লাগাতেই  পারেন আর তার সাথে কিন্তু  সেই গুলোকে  নিয়েই  আপনারা  খুব চমৎকার ব্যবসা দাঁড় করাতেই  পারেন।

 

·         ঔষধের  ব্যবসার পুঁজি :

 

যে কোম্পানি  গুলো এর   ঔষধ বিক্রয় এর জন্যেই  কিন্তু  কোন প্রতিনিধি নাই ।  আপনারা  যদি তাদের যে ঔষধ  আছে সেই গুলোকে বিক্রি করতেই  চান তাহলে কিন্তু আপনাদেরকে , এই ক্ষেত্রে পুঁজি এর  পরিমাণ খুবই সামান্য লাগবেই । যারা ২০ হতে  ৫০ হাজার টাকা এর ভিতরেই চমৎকার ১ টা ব্যবসা এর  খোঁজ করতেছেন  এই ব্যবসাটা  তাদের জন্যেই কিন্তু ।

  নিচের লেখা গুলো পড়ুন – 

 

সল্প মূলধন দিয়েই ১০টি লাভজনক নতুন ব্যবসার আইডিয়া

 ঔষধের পাইকারী ব্যবসা করার পদ্ধতি

 ২০২১ সালের জন্য ১০টি লাভজনক বিজনেস আইডিয়া

 

যারাবাবু বাজার এর আশে পাশেই থাকেন কিংবা  অথবাঢাকা এর  আশেপাশে  বসবাসকরতে ছেন, তারা চাইলেই কিন্তু অনেক  সহজ এই  ব্যবসাটা  শুরুকরতেই  পারেন।আর যারা উত্তর বঙ্গেই   বসবাসকরতে ছেন, তারা বগুড়া হতে কিন্তু  ঔষধসংগ্রহ করতেই  পারেন।কারণ বগুড়া আসলে  অনেকবড় ঔষধ এর  মার্কেটআছে। যেইটাকে আসলেই  মিটফোর্ডইবলা হয়ে থাকে ।

§  ঔষধ যে ভাবে  কিনবেন

আপনাদের  এলাকা এর  পরিচিত কোন ফার্মেসী ম্যান কিংবা  দোকানদারকেই  বলবেন যে ১ টা লিস্ট করে তার পরে আপনাদেরকে  দিতে যেই যেই ঔষধ গুলোকে আসলেই  আপনারা  কিনতে চান। তার পরে আপনি  সরাসরি বাবু বাজার এ  চলে যাবেন । হয়তো প্রথম প্রথম আপনার  একটু ইতস্তত বোধ হবেই , কিন্তু তাতে কিন্তু  কোন সমস্যা নাই । আপনারা  আপনাদেরর কাছ এর  কোন বন্ধুকে নিয়েই  চলে যাবেন সেই  খানে।

সর্বদা যাচাই বাছাই করেই  ভালো প্রোডাক্টটা  কিনবার  চেষ্টা করবেন। ঔষধ কিনা হয়ে গেলেই কিন্তু  সেই খানে অনেক লেভার পাবেন যাদেরকে দিয়ে ই প্রোডাক্ট গুলোকে  ভালো করেই  বেঁধেই  তার পরে  নিয়ে আসবেন।

·      ঔষধ কি করে  নিয়ে আসবেন

আপনারা কিন্তু  মূলত ২ ভাবে ঔষধ নিয়েই  আসতে পারবেন । যথা:

. নিজদের সঙ্গে   করে।

. কুরিয়ারের  সার্ভিস এর  মাধ্যমে।

দুই ক্ষেত্রে এই কিন্তু  আপনার গাড়ি ভাড়া এর  খরচ পড়বেই , তবে আপনারা  যদি কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমেই   প্রোডাক্ট নিয়ে আসেন তা হলে কিন্তু আপনাদের  কষ্টটা অনেক কম হবেই ।

 আরও পড়ুন  – ধান ক্রয় বিক্রয়ের লাভজনক  ১১ টি ব্যবসার আইডিয়া 

·        কি করে  ঔষধ সাপ্লাই দিবেন  জানুন :

 

আপনাদের   এলাকায় যতগুলো ঔষধ এর  দোকান আছে  সেই গুলো প্রথমে আপনারা  ভিজিট করবেন মানে সেই দোকান গুলো ঘুরে আসবেন । প্রয়োজন হলে  আপনি আপনার সাথে  ঔষধ গুলোকে  নিয়ে দোকানে দোকানে গিয়েই  ঔষধ অর্ডার করতে পারেন । সেই ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গে  কিন্তু  বাইক অথবা  সাইকেল ব্যবহার করতেই পারবেন।

তো আপনারা  ফার্মেসীগুলোতে গিয়েই আপনার যে  প্রোডাক্ট গুলো আছে সেইগুলোকে দেখাবেন। আপনি দেখবেন যে  প্রথম দিক এই আপনাদের খুব ভালো পরিমানে ১ টা বিক্রি হচ্ছে। যদি ও  বা আপনার কাছে বিষয়টা একটু অকল্পনীয় লাগতাই  পারে কিন্তু এরকমটা এই  হবে ইনশাল্লাহ ।

 ·         ঔষধ ব্যবসায়ের কাজে  সাবধানতা :

এই ব্যবসাটা  শুরু করবার  জন্য কিন্তু আপনাদেরকে  কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতেই  হবে।

·              নকল ঔষধ রাখতে পারবেন না।

·         কেননা ,  আমাদেরদেশ এর  বর্তমানপ্রশাসন  কিন্তু এখনব অনেক সোচ্চার আর এই ঔষধ খাতকেই  পরিচ্ছন্নরাখবার  জন্যই । তাই ব্যবসা শুরু করবার  আগেই  এইবিষয় গুলোতেই  অবশ্যইমনযোগী হওয়া লাগবে ।

বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল এর  পক্ষ হতে অনেক  সময় বিভিন্ন নীতিমালা প্রকাশ করা হয়ে থাকে  । আপনার ইচ্ছা করলে  তাদের ওয়েবসাইটহতে  তাদের নীতিমালা গুলোকে  অনুসরণ করে নিতে  পারেন।

 

·         আমাদের শেষ কথা :

আপনারা  অনেক এর  কাছ হতেই  শুনতে পারবেন  যে মিটফোর্ডে  নাম্বার ঔষধ বিক্রি হয়ে থাকে । আসলে সত্যি হল এইটাই যে প্রত্যেক   সেক্টরেই কিছু  অসাধু ব্যবসায়ী থাকে বা আছে ।   আপনারা কিন্তু  তাদেরকে এড়িয়ে চলবার  চেষ্টা করবেন । আপনারা যদি  সৎ পথে যে রিজিকটা  পাবেন, সেই খানে কিন্তু  মনের  ১ টা প্রশান্তি আসবে।

আর ঔষধ এমন ১ টা প্রোডাক্ট যেটা যেটা  নাম্বার হলে মানুষ  জীবন পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই, যতটা সম্ভব ভালো প্রোডাক্ট কিনে তার পরে  ব্যবসা করবার  চেষ্টা করবেন। যে কোন ব্যবসাতে কিন্তু   ব্যর্থতা থাকেই । 

 

তথ্য – প্রিয়  ক্যারিয়ার

 

 

 

 

 

 

 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button